589-তে ডিপোজিট করা এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ। মোবাইল ব্যাংকিং, ব্যাংক ট্রান্সফার বা ই-ওয়ালেট — যেকোনো মাধ্যমে মাত্র কয়েক মিনিটে আপনার ব্যালেন্সে টাকা যোগ করুন।
589-তে ডিপোজিট করার পুরো প্রক্রিয়াটি এতটাই সহজ যে প্রথমবারের মতো যারা করছেন তাদেরও কোনো সমস্যা হয় না। ধাপগুলো দেখুন:
589-এ আপনার ব্যবহারকারী নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। নতুন হলে প্রথমে নিবন্ধন করুন — মাত্র ২ মিনিট লাগে।
অ্যাকাউন্টে ঢোকার পর উপরের মেনুতে "ডিপোজিট" বোতামে ক্লিক করুন।
মোবাইল ব্যাংকিং, ব্যাংক ট্রান্সফার, ই-ওয়ালেট বা ক্রিপ্টো — পছন্দের পদ্ধতিতে ক্লিক করুন।
ডিপোজিটের পরিমাণ লিখুন। 589-এর দেওয়া অ্যাকাউন্ট নম্বরে নির্দিষ্ট পরিমাণ পাঠান।
পেমেন্ট পাঠানোর পরে ট্রানজেকশন আইডি বা রেফারেন্স নম্বর দিন নিশ্চিত করতে।
সাধারণত ১–৫ মিনিটের মধ্যে ব্যালেন্সে টাকা যোগ হয়ে যায়। তারপরই বেট করতে পারবেন।
589-এ প্রথমবার ডিপোজিট করলে পাবেন ১০০% ওয়েলকাম বোনাস। বোনাস টাকা দিয়ে বেট করুন — জিতলে আসল টাকা উইথড্র করুন।
| পদ্ধতি | সর্বনিম্ন | সর্বোচ্চ | প্রক্রিয়া সময় | ফি | ২৪/৭ |
|---|---|---|---|---|---|
| মোবাইল ব্যাংকিং | ৳৫০ | ৳৫০,০০০ | ১–৩ মিনিট | বিনামূল্যে | |
| ব্যাংক ট্রান্সফার | ৳৫০০ | ৳৫,০০,০০০ | ৫–৩০ মিনিট | বিনামূল্যে | |
| ই-ওয়ালেট | ৳১০০ | ৳১,০০,০০০ | ১–২ মিনিট | বিনামূল্যে | |
| ক্রিপ্টো | $১ | সীমাহীন | ১–১৫ মিনিট | নেটওয়ার্ক |
589 শুরু থেকেই বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে তাদের পেমেন্ট সিস্টেম তৈরি করেছে। এখানে কোনো জটিল প্রক্রিয়া নেই, কোনো লুকানো চার্জ নেই এবং বেশিরভাগ পদ্ধতিতে ডিপোজিট সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। ফলে আপনি যে পরিমাণ টাকা পাঠাবেন ঠিক সেই পরিমাণই অ্যাকাউন্টে যোগ হবে — এক পয়সাও কম নয়।
বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহারকারীদের কথা ভেবে 589 মোবাইল ব্যাংকিং সবার আগে অগ্রাধিকার দিয়েছে। ফলে ঘরে বসে, দোকানে বসে — যেকোনো জায়গা থেকে মাত্র একটি মোবাইলেই ডিপোজিট করা সম্ভব। রাত ৩টায় যদি বেট করতে চান তাহলেও সমস্যা নেই — 589-এর ডিপোজিট সিস্টেম সপ্তাহের সাত দিন চব্বিশ ঘণ্টা সক্রিয় থাকে।
589-এ ডিপোজিটের ক্ষেত্রে মোবাইল ব্যাংকিং সবার প্রথম পছন্দ কারণ এটি সবচেয়ে দ্রুত এবং সবচেয়ে সহজ। মাত্র ৳৫০ থেকে ডিপোজিট শুরু করা যায়, যার মানে হলো সীমিত বাজেটেও বেটিং শুরু করা সম্ভব। সর্বোচ্চ ৳৫০,০০০ পর্যন্ত মোবাইল ব্যাংকিংয়ে পাঠানো যায়।
589-তে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ডিপোজিটের সময় একটি নির্দিষ্ট রেফারেন্স কোড দেওয়া হয়। এই কোডটি পেমেন্টের সময় মন্তব্যে লিখতে হবে — এটি আপনার পেমেন্টকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে সাহায্য করে এবং প্রক্রিয়া দ্রুততর হয়।
যারা বড় পরিমাণে ডিপোজিট করতে চান তাদের জন্য ব্যাংক ট্রান্সফার সবচেয়ে উপযুক্ত। 589-এ ব্যাংক ট্রান্সফারে সর্বোচ্চ ৳৫ লাখ পর্যন্ত একসাথে ডিপোজিট করা সম্ভব। ভিআইপি সদস্যদের জন্য এই সীমা আরও বেশি।
ব্যাংক ট্রান্সফারে সাধারণত ৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগে, তবে ব্যাংক কর্মঘণ্টায় এটি আরও দ্রুত হয়। 589 বাংলাদেশের সব প্রধান ব্যাংকের ট্রান্সফার সমর্থন করে। ট্রান্সফারের সময় নামের সাথে 589-এর দেওয়া রেফারেন্স নম্বর উল্লেখ করতে ভুলবেন না।
589-এ ডিপোজিট করলে শুধু ব্যালেন্স যোগ হয় না — সাথে পাওয়া যায় বোনাসও। নতুন সদস্যরা প্রথম ডিপোজিটে ১০০% বোনাস পান। অর্থাৎ ৳১,০০০ ডিপোজিট করলে মোট ব্যালেন্স হবে ৳২,০০০। এই বোনাস দিয়ে বেট করুন এবং জিতলে আসল টাকা হিসেবে উইথড্র করুন।
নিয়মিত সদস্যরা সাপ্তাহিক রিলোড বোনাস পান — প্রতি সপ্তাহে নতুন ডিপোজিটে বাড়তি পার্সেন্টেজ যোগ হয়। ভিআইপি সদস্যদের জন্য রয়েছে আরও বড় ডিপোজিট বোনাস প্যাকেজ। বিশেষ টুর্নামেন্ট বা উপলক্ষে 589 স্পেশাল ডিপোজিট অফারও চালু করে।
589-এ আপনার প্রতিটি ডিপোজিট SSL এনক্রিপশন দিয়ে সুরক্ষিত। মানে হলো আপনার লেনদেনের তথ্য কেউ দেখতে পাবে না বা চুরি করতে পারবে না। এছাড়া 589 কোনো কারণেই আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা পাসওয়ার্ড জানতে চায় না। শুধু নির্দিষ্ট পরিমাণ নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে পাঠানোর দরকার — এটুকুই।
আপনার প্রতিটি লেনদেন সর্বোচ্চ এনক্রিপশনে সুরক্ষিত।
আপনার পরিচয় যাচাই করে অ্যাকাউন্টের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়।
প্রতিটি ডিপোজিট ও উইথড্রের সম্পূর্ণ রেকর্ড সবসময় দেখা যায়।
পেমেন্ট নিশ্চিত হওয়ার সাথে সাথে অ্যাকাউন্টে ব্যালেন্স যোগ হয়।
589-এ কোনো ডিপোজিট ফি নেই — যা পাঠাবেন তাই পাবেন।
ডিপোজিট যেমন সহজ, উইথড্রও ততটাই — ৩ মিনিটে টাকা ফেরত।
ডিপোজিটে কোনো সমস্যা হলে যেকোনো সময় সাপোর্ট টিম সাহায্য করবে।
589-তে ডিপোজিট মানে নিরাপদ, দ্রুত এবং বোনাসসহ। আজই নিবন্ধন করুন এবং প্রথম ডিপোজিটে ১০০% বোনাস পান।